
পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলাধীন রুনিহালী গ্রামের নিরমল চন্দ্র তার স্ত্রীর পক্ষে জানান, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার খারইল গ্রামের নিত্ত গোপাল তিনাকে ১৯৭১ সালে খান সেনারা বাড়ি হতে ধরে নিয়ে গেলে তার থেকে তিনি নিখোজ হন। তখন তীনার স্ত্রী উষারানী আর একমাত্র কন্যা মুঞ্জুরানি থাকে। তখন ঐ পরিবারের সকলেই একান্ন ভুক্ত ছিলেন। এমনি অবস্থায় যৌথ পরিবারভুক্ত থাকা কালে ১৯৭৫ সালে নিত্ত গোপালের পিতা হৃদয় চন্দ্র মিত্তুবরণ করলে নিত্ত গোপালের জমির যে অংশ তাহা খারইল/রিষিঘাট বৈদর মৌজাতে অবস্থিত। খারইল মৌজার বসত বাড়ি পুকুর বাগান যা যৌথ ভাবে রেখে রিষিঘাট মৌজাতে কিছু জমি বাশঝার আর বৈদর মৌজাতে আবাদি জমি হিসাবে সকল জমি ছেড়ে দেন। ঐ সকল জমি বৈদর গ্রামের বর্তমান মৃত আব্দুস সামাদ পিতা মৃত ইমারত বর্গাচাষ করতেন। এমনিবস্থায় বিগত ১৯৮৬ সালে নির্মলের সহিত মুঞ্জুরানির বিবাহ হলে শাশুরিকে নিজ বাড়িতে এনে প্রতি পালন করতেন। আর বৈদর মৌজার যে জমি উক্ত আব্দুস সামাদ বর্গাচাষ করতেন তাহার যতাযথ ফসল না দিলে ১৯৯০ সাল হতে ঐ সকল জমির মধ্য হতে সাবেক ৩১৬ হালে ৪৭৩ পরিমান ১০ শতক সাবেক ৩১৫ হালে ৪৮৯ পরিমান ২২ শতক সাবেক ৩১৪ হালে ৪৯০ পরিমান ২৬ শতক সর্বমোট ৫৮ শকত জমি বর্গাচাষ শুরু করেন উক্ত আব্দুস সামাদের সহোদর ভাই ধলুমিয়া। তিনি ২০০৪ সালে পর্যন্ত ঐ জমির যথাযথ ফসল দিবার পর জমির ফসল দেওয়া বন্ধ করে দিয়া বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেন। এক পর্যায়ে হঠাৎ করে নির্মল চন্দ্র ও তীনার স্ত্রী মুঞ্জুরান কে বিবাদী করে দিনাজপুর আদালতে ধলুমিয়া একটি মোকদ্দমা করে। কয়েক দিন পরে ঐ মোকদ্দমাটি প্রত্যাহার করে নিয়া পুনরায় একই আদালতে একই ভাবে একটি মোকদ্দমা করলে ঐ মোকদ্দমায় উপস্থিত হয়ে নির্মল চন্দ্র মোকদ্দমার আরজি তুলে জানতে পারেন উক্ত ধলু মিয়া একটি জাল দলিল সৃষ্টি করেন নিজের বলে দাবী করেন। ঐ দলিলটি যে জাল তাহার প্রমান। দলিলটি দেখাচ্ছেন দেশ স্বাধীন এর পূর্বে অথচ দেশ স্বাধীনের পড়ে ধলুমিয়ার পরিবার ঐ গ্রামে আসেন। এ ছাড়া ঐ দলিলে যে পরিমান জমি কবলা দেখানো হয় তাহা কোনো দিনই ভোগদখল করেন নাই বা বর্তমান যে আর এস রেকড সেই রেকডেও কোনো রেকড ও করেন নাই।
এমনিবস্থায় মোকদ্দমায় হেরে যাওয়ার ভয়ে মামলা প্রত্যাহার করে নিলেও ঐ ৫৮ শতক জমি দখল ছেড়ে না দিলে নির্মল চন্দ্র তীনার স্ত্রীর পক্ষ হয়ে ধলু মিয়ার নিকট ধারাবাহিক উকিল নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তুু নোটিশের কোন প্রকার জবাব না দিলে উক্ত বিষয় নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে আবেদন করেও কোন সুফল পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করলে বিষয়টি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও উক্ত ধলুমিয়া প্রকাশিত সংবাদদের কোন প্রতিবাদ করেননি বা প্রশাসও কোন পদক্ষেপ নেন নাই।
নির্মল চন্দ্রের ঐ মৌজার বর্তমান আর এস ফাইনাল যে পরচা মুঞ্জুরানি নামে হয়েছে তাহাও দেখান এছাড়াও উক্ত ধলুমিয়া নির্মল চন্দ্রকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদান করেছেন। তাহা উকিল নোটিশে ও বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। নির্মল চন্দ্র বলেন ধলুমিয়ার পুত্র বাদশা মিয়া বিগত সরকার দলীয় লোক হওয়াই কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।

নির্মল চন্দ্র বলেন, যে বর্তমান বৈসম্য বিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলনে আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হওয়াই বর্তমান অন্তবর্তি কালিন সরকার, ছাত্র জনতা, যৌথ বাহিনী ও প্রশাসনের সকল মহলের হস্তক্ষেপে উক্ত ৫৮ শতক জমি উদ্ধার ও দখলকারীর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি কামনা করছেন।
এবিষয়ে ধলু মিয়ার ০১৭২২-২১২৭৬৬ ফোন নং দিয়ে জানতে চাইলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
প্রতিদিনের আলোচিত কন্ঠ: 










